বাংলার আবাস যোজনা ২০২৬: নতুন লিস্ট ডাউনলোড এবং আবেদনের পদ্ধতিScheme StatusScheme Status

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘বাংলার আবাস যোজনা’ (Banglar Awas Yojana) গ্রামীণ এলাকার গরিব ও দুস্থ মানুষদের পাকা বাড়ি তৈরির স্বপ্ন পূরণ করছে। ২০২৬ সালে রাজ্য সরকার এই প্রকল্পের গতি আরও বাড়িয়েছে। যারা পাকা বাড়ির জন্য আবেদন করেছিলেন, তাদের জন্য অত্যন্ত খুশির খবর—এখন আপনি অনলাইনেই নতুন বেনিফিশিয়ারি লিস্ট (New List) এবং নিজের বাড়ির স্ট্যাটাস চেক করতে পারবেন।

Subscribe our Channel

এই নিবন্ধে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব কীভাবে আপনি ২০২৬ সালের নতুন লিস্ট দেখবেন এবং আবেদন করবেন।


### ১. প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

বিষয় তথ্য
প্রকল্পের নাম বাংলার আবাস যোজনা (Banglar Awas Yojana)
পরিচালনায় পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর
আর্থিক সহায়তা ১.২০ লক্ষ থেকে ১.৩০ লক্ষ টাকা
সুবিধাভোগী রাজ্যের গ্রামীণ দরিদ্র পরিবার
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট wbpanchayat.gov.in / rhwb.gov.in

### ২. বাংলার আবাস যোজনা নতুন লিস্ট ২০২৬ (New List PDF Download)

আপনার নাম বা পরিবারের কারো নাম লিস্টে আছে কিনা তা জানতে নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করুন:

  1. অফিসিয়াল পোর্টালে যান: প্রথমে [suspicious link removed] ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।

  2. Awaassoft অপশনে ক্লিক করুন: হোমপেজে থাকা ‘Awaassoft’ মেনু থেকে ‘Report’ অপশনটি বেছে নিন।

  3. Social Audit Reports: নিচের দিকে ‘H. Social Audit Reports’ সেকশনে গিয়ে ‘Beneficiary details for verification’ লিংকে ক্লিক করুন।

  4. ফিল্টার করুন: আপনার রাজ্যের নাম (West Bengal), জেলার নাম, ব্লক এবং গ্রাম পঞ্চায়েত সিলেক্ট করুন।

  5. ক্যাপচা কোড দিন: স্ক্রিনে আসা গাণিতিক ক্যাপচাটি সমাধান করে ‘Submit’ বাটনে ক্লিক করুন।

  6. লিস্ট দেখুন: আপনার সামনে সেই পঞ্চায়েতের সম্পূর্ণ তালিকা চলে আসবে। আপনি চাইলে এটি PDF হিসেবেও ডাউনলোড করতে পারবেন।


### ৩. আবেদনের যোগ্যতা (Eligibility Criteria)

বাংলার আবাস যোজনায় নাম নথিভুক্ত করতে হলে আপনাকে নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ করতে হবে:

  • আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

  • পরিবারের কোনো পাকা বাড়ি থাকা চলবে না।

  • যাদের কাঁচা বাড়ি বা খড়ের বাড়ি রয়েছে তারা অগ্রাধিকার পাবেন।

  • পরিবারের মাসিক আয় নির্দিষ্ট সীমার (পভার্টি লাইন) নিচে হতে হবে।

  • আগে এই প্রকল্পের সুবিধা যারা নিয়েছেন তারা পুনরায় আবেদন করতে পারবেন না।


### ৪. টাকা দেওয়ার পদ্ধতি (Payment Status)

এই প্রকল্পের টাকা সরাসরি উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে DBT (Direct Benefit Transfer)-এর মাধ্যমে পাঠানো হয়। মূলত তিনটি কিস্তিতে টাকা দেওয়া হয়:

  1. প্রথম কিস্তি (৪০,০০০ টাকা): ভেরিফিকেশন এবং বাড়ি তৈরির কাজের শুরুর জন্য।

  2. দ্বিতীয় কিস্তি (৭০,০০০ টাকা): বাড়ির ছাদ বা নির্দিষ্ট অংশ তৈরির পর।

  3. তৃতীয় কিস্তি (১০,০০০ টাকা): বাড়ির কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর।


### ৫. প্রয়োজনীয় নথিপত্র (Required Documents)

অনলাইন বা অফলাইন আবেদনের সময় নিচের নথিপত্রগুলি সাথে রাখুন:

  • আধার কার্ড (আবেদনকারী ও পরিবারের সদস্যদের)।

  • ভোটার আইডি কার্ড।

  • ১০০ দিনের কাজের জব কার্ড (Job Card)।

  • ব্যাঙ্ক পাসবই (আধার লিঙ্ক থাকা জরুরি)।

  • পাসপোর্ট সাইজ ছবি।


### ৬. প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

প্রশ্ন ১: বাংলার আবাস যোজনার টাকা কত দিনের মধ্যে অ্যাকাউন্টে ঢোকে?

উত্তর: বিডিও (BDO) অফিস থেকে আপনার বাড়ির ভেরিফিকেশন এবং জিও-ট্যাগিং (Geo-Tagging) সফল হওয়ার ১৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে প্রথম কিস্তির টাকা ঢোকা শুরু হয়।

প্রশ্ন ২: নাম তালিকায় না থাকলে কী করব?

উত্তর: যদি আপনার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও নাম না থাকে, তবে আপনার গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস বা স্থানীয় বিডিও অফিসে যোগাযোগ করে নতুন করে ‘আবাস প্লাস’ সার্ভেতে নাম তোলার আবেদন করতে পারেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top